
স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপুল পরিমান লোহা ও গ্রীল ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা কর্তৃক আটক করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে লোহা ও গ্রীল বোঝাই ভ্যানটি আটকের পর থেকে এলাকাবাসীর মাঝে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা চলছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে সেখানকার ৬৩৪ কেজি ওজনের প্রায় লক্ষাধিক টাকা মুল্যের বিভিন্ন গ্রীল, জানালা, কেচি গেটসহ বিভিন্ন লোহার পুরাতন মালামাল ৩ টি ভ্যানযোগে বাহিরে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা আটক করে।
আটককৃত মালামালগুলি মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হেফাজতেই রাখা হয়েছে। এনিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রংপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, হোটেল ব্যবসায়ী মজনু মিয়া, মেকানিক রাজা মিয়া, এলাকাবাসী রাজু মিয়াসহ অনেকে ওই মালামালগুলো আটক করে কর্তব্যরত কর্মকর্তা ডাঃ রাশেবুল হোসেনকে সংবাদ দেন। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন এবং মালামালগুলো হেফাজতে নেন।
মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাশেবুল হোসেন বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ফুলের বাগান করা হবে। সেই বাগানের ব্যয় বরাদ্দ না থাকায় ওই পুরাতন মালামালগুলো বিক্রি করে কাজ করার জন্য মালামালগুলো স্থানীয় ওয়ার্কশপে নেয়া হচ্ছিল। লোকজন ভুল বুঝে আটক করে।
এ ব্যাপারে অফিসিয়াল নির্দেশনা বা অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি খুব লেনদি প্রসেস হেতু উর্ধতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক আশ্বাসে ওই কাজ করা হচ্ছে।
ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ইতিপুর্বে অনেক মালামাল ঠিকাদার ও ষ্টাফরা চুরি করেছে। যৎ সামান্য যা আছে তা দিয়ে আমরা কাজ করার পরিকল্পনা নিই। ওই কাজের ব্যয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরের কয়েকটি বড় বড় গাছও একইভাবে কর্তৃপক্ষের মৌখিক আশ্বাসে কেটে রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এম২৪নিউজ/আখতার