
স্টাফ রিপোর্টার:
সম্প্রতি সাফারি পার্কে নির্মমভাবে খুন হওয়া কবির হাসানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কাঁঠালী নয়াপাড়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এই হৃদয় বিদারক ঘটনায় এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে সাড়ে আট লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর গত ২৯ মার্চ রাতে সাফারি পার্কের ভেতর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। কবির ওই গ্রামের জাকিউল ইসলামের ছেলে।
নিহতের পরিবার জানায়, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফজর আলীর ছেলে নাজমুল একটি মন্ত্রণালয়ের ড্রাইভার পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে কবিরের কাছ থেকে সাড়ে আট লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র তার হাতে ধরিয়ে দেয়। চাকরিতে যোগদানের আগে ড্রাইভিং শেখানোর কথা বলে তাকে গত ২৫ মার্চ গাজীপুরে ডেকে নেয়।
চার দিন পর ২৯ মার্চ রাতে সাফারি পার্কের ভেতর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ৩০ মার্চ মুখে স্কচটেপ ও গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় পুলিশ কবিরের লাশ উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে লাশটি হস্তান্তর করা হয়। তারা বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ দাফন করে। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ কবিরের পরিচয় শনাক্ত করে। পরে লাশ উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
মঙ্গলবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এখনও পলাতক রয়েছে মূল আসামি নাজমুল ইসলাম।
এ ঘটনায় গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানায় ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। যার মামলা নং ৯২, তারিখ- ৩০.০৩.২০২১ইং।
মিঠাপুকুর থানার ওসি আমিরুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডটি ঘটে গাজীপুর জেলায়। তাই মামলা, গ্রেপ্তার ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সেখান থেকে শুরু করতে হবে।
এম২৪নিউজ/আখতার