
স্টাফ রিপোর্টার:
মিঠাপুকুরে লাম্পি ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অপরাধে বাবু নামে এক কসাইয়ের মাংস বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে উপজেলার চেংমারী ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মোসলেম বাজারে ওই কসাইয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চৌকি ও মাংস কাটা খাটিয়ায় লাল রঙের ক্রোস চিহ্ন দিয়ে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উপজেলার বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নের চাঁদপাড়া গ্রামের মৃত অহেদ আলী ও আকন্দ পাড়া গ্রামের মৃত আবু হোফাজের ছেলে আনোয়ার হোসেনের (বড় মিয়া) বাড়িতে লাম্পি ভাইরাসে আক্রান্ত গরু গোপনে জবাই করা হয়। এবং সেই মাংস রংপুর চিড়িয়াখানায় দেয়ার কথা বলে স্থানীয় বাবু কসাইয়ের কাছে মাত্র ৩ হাজার ২শ টাকা এবং অপরটি ৩হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
লাম্পি ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর মালিকরা জানান, আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা দিতে আসা পল্লী প্রাণী চিকিৎসক জানিয়েছেন- এই গরু টিকবেনা, তার চেয়ে ভালো হবে বিক্রি করে দেন। তারপর আক্রান্ত গরু মালিকের বাড়িতে গোপনে জবাই করে ভাইরাসে আক্রান্ত গরু দুটির মাংস বিক্রি করে দেন।
পল্লী প্রাণী চিকিৎসক হানিফ জানান, আমি গরুর চিকিৎসা দিয়েছি, গরুর অবস্থা ভালো না থাকায় আমি শুধু বলেছি এই গরুর অবস্থা খুব খারাপ আমার দ্বারা সম্ভব নয়। এছাড়া আমি আর কিছু বলতে পারব না।
রংপুর চিড়িয়াখানায় দেয়ার কথা বলে ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর দুটির মাংস কিনে নেন বাবু কসাই। সেই মাংস মোসলেমবাজারে বিক্রি করার অভিযোগে ওই কসাইয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চৌকি ও মাংস কাটা খাটিয়ায় লাল রঙের ক্রোস চিহ্ন দিয়ে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করে প্রশাসন।
প্রাণি সম্পদ অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, লাম্পি আক্রান্ত গরু মানুষ এবং প্রানী কারো খাওয়ার উপযোগী নয়।এটা একটি মারাত্মক ভাইরাস, এই ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রিয় করা অনেক বড় অপরাধ। ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির অপরাধে মোসলেম বাজারে বাবু নামে এক কসাইয়ের মাংস বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এম২৪নিউজ/আখতার