
অনলাইন ডেস্ক:
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ফাতেমা বেগম নামে এক স্কুলছাত্রীকে হত্যা করেছেন আপন মা। মেয়ের প্রেমিকের দেয়া মোবাইল নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর মা রহিমা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার সকালে মা রহিমা বেগমকে আটক করে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার বিনোদনগর ইউপির বড়মাগুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রহিমা বেগম উপজেলার বিনোদনগর ইউপির বড়মাগুড়া গ্রামের বুলু মিয়ার স্ত্রী। ফাতেমা ওই এলাকার বিনোদনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার চৌহান বলেন, কয়েকদিন আগে উপজেলার পাঠানগঞ্জে মায়ের সঙ্গে নানাবাড়ি বেড়াতে যায় ফাতেমা। সেখানে এক ছেলে ফাতেমাকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। বিষয়টি সে মাকে না জানিয়ে গোপন রাখে। রোববার বিকেলে বাড়ির আম গাছে আম পাড়তে উঠলে মা মোবাইল ফোনটি দেখে ফেলেন। পরে তিনি মোবাইলটি ঘরের শো-কেসে রেখে পাশের গ্রামে বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়ি যান। এ সুযোগে ফাতেমা শো-কেসের ড্রয়ার ভেঙে মোবাইল বের করে নেয়। পরে মা বাড়িতে এসে বিষয়টি দেখে লাঠি দিয়ে বেদম মারধর করেন ফাতেমাকে। একপর্যায়ে মেয়ের গায়ের ওড়না দিয়ে গলা বেঁধে চাপ দেন। এতে শ্বাসরোধ হয়ে ঘটনাস্থলেই ফাতেমা মারা যায়।
তিনি আরো বলেন, এলাকাবাসীর দেয়া খবরে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাকে আটক করে থানায় আনা হয়। ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মেয়ের চাচা আলম মিয়া বাদী হয়ে রহিমা বেগমের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।