অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রমেকের ৫ ডাক্তারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

নিউজ ডেস্ক:

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের পাঁচ ডাক্তারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওষুধসহ হাসপাতালের বিভিন্ন খাতে ক্রয় দেখিয়ে সাড়ে ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিনা দরপত্রে সাড়ে ৯ কোটি টাকার কার্যাদেশ প্রদানের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার রংপুর দুদক কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে রংপুর সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশন বৈঠকে গত রোববার (২৯ ডিসেম্বর) এ চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়। রংপুর দুদক কার্যালয় থেকে জানানো হয়, খুব শিগগিরই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

মামলায় আসামিরা হলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. আ স ম বরকত উল্লাহ, সহকারী পরিচালক (অর্থ ও ভান্ডার) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. বিমল কুমার বর্মণ, সাবেক উপ-পরিচালক ডা. পরিতোষ কুমার দাস গুপ্ত ও সাবেক উপ-পরিচালক ডা. মো. জহিরুল হক।

এছাড়া হাসপাতালের প্রধান মেডিসিন স্টোরের ইনচার্জ ফার্মাসিস্ট মো. আনিছুর রহমান, ফার্মাসিস্ট মো. মোকছেদুল হক, স্টুয়ার্ড মো. আজিজুল ইসলাম ও মো. আসাদুজ্জামান, চার ঠিকাদার রংপুরের স্থানীয় মেসার্স ম্যানিলা মেডিসিনের সত্ত্বাধিকারী মনজুর আহমেদ, এমএইচ ফার্মার মালিক মোসাদ্দেক হোসেন, মেসার্স অভি ড্রাগসের মালিক মো. জয়নাল আবেদীন, মেসার্স আলবিরা ফার্মেসির মালিক মো. আলমগীর হোসেন ও এস এম ট্রেডার্সের মালিক মো. মন্টুকে আসামি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা একে অপরের যোগসাজশে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন, সার্জিক্যাল, রি-অ্যাজেন্ট খাতে ইনজেকশন সেমিপাইম-১ ক্রয় দেখিয়ে ৫ কোটি ১০ লাখ ৪১ হাজার ৪০৬ টাকা ও পথ্য খাতে ৩ কোটি ৫০ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩২ টাকা আত্মসাৎ এবং বিনা দরপত্রে ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৬ টাকার কার্যাদেশ প্রদান করেছিলেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

সূত্র: ইত্তেফাক অনলাইন।