
মিঠাপুকুর২৪নিউজ ডেস্ক:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কাফনের কাপড় গাছে পেঁচিয়ে গাছ কাটার প্রতিবাদ জানিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীন টাচ’। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শেখ রাসেল মিডিয়া চত্বরে মানববন্ধন করে সংগঠনটি। মানববন্ধন শেষে কাটা গাছ উপাচার্যের নিকট হস্তান্তর করা হয়। উপাচার্যের পক্ষ থেকে কর্তিত গাছ গ্রহণ করেন তার একান্ত সচিব আমিনুর রহমান।
উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর নিকট গাছ কাটার বিচার চাইলে তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে গাছ কাটাতে হলে আমার অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু আমার কোনো অনুমতি না নিয়েই গাছ কাটা হয়েছে। কে বা কারা গাছ গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত আমরা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’
আরও পড়ুন: রংপুরের কাউনিয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২১
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে এক কর্মচারী বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির সামনে একটি হরিতকি ও একটি কাঠবাদামের গাছ কাটে। অভিযোগ উঠেছে গাছ কাটার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর উপ-পরিচালক মামদুদুর রহমান।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মামদুদুর রহমান বলেন, ‘ড. তুহিন ওয়াদুদ কিছুদিন আগে একজন কৃষিবিদ নিয়ে এসেছিলেন গাছগুলো দেখানোর জন্য। পার্শ্ববর্তী অন্য গাছগুলো বাঁচানোর জন্য সেই কৃষিবিদ এই গাছদুটো কাটার পরামর্শ দেন। আমরা লাইব্রেরির পক্ষ থেকে গাছ কাটার জন্য কোন সিদ্ধান্ত নেইনি।’
আরও পড়ুন: মিঠাপুকুরে ৫১টি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ কর্মসূচী
পুরো ক্যাম্পাসে প্রায় ৩৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন ড. তুহিন ওয়াদুদ। গাছগুলোর পরিচর্যার কাজেও তিনি সময় দেন নিয়মিত। ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘এই ক্যাম্পাস এক সময় মরুভূমি ছিলো। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে পুরো ক্যাম্পাসে আমরা গাছ লাগিয়েছি। কারও কোন ধরনের অনুমতি ছাড়াই এসব গাছ কাটা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং পরিবেশ আইন অনুযায়ী গাছ কর্তনকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
সূত্র: ইত্তেফাক অনলাইন।