রংপুরে নরসুন্দর প্রেমিকের সঙ্গে গাইনি ডাক্তারের পালিয়ে বিয়ে, অবশেষে ধরা

নিউজ ডেস্ক:

নরসুন্দরের সঙ্গে প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করার ২১ মাস পর সন্তানসহ এক গাইনি ডাক্তারকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আটক করেছে প্রেমিক নরসুন্দর রফিকুল ইসলাম ওরফে বাপ্পিকে। 

মঙ্গলবার রংপুর নগরীর কেরানী পাড়ায় সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান, রংপুর সিআইডির এসপি মিলু মিয়া বিশ্বাস। 

তিনি জানান, গত বছরের মার্চ মাসে ব্যবসায়ী আব্দুল গফুর তার মেয়ে গাইনি ডা. আয়েশা ছিদ্দিকা মিতু অপহৃত হয়েছে এই মর্মে নগরীর কোতোয়ালি থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। 

মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, আলমনগর কলোনির নরসুন্দর বাপ্পি তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দীর্ঘদিন পুলিশ চেষ্টা করেও অপহৃত ডা. মিতুকে উদ্ধার করতে পারেনি। পরে মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডি পুলিশের কাছে দেয়া হয়। 

সিআইডি পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইউনুছ দীর্ঘ দিন অনুসন্ধান চালিয়ে ডা. মিতুকে সোমবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার চানমিয়া হাউজিংয়ের একটি বাসা থেকে উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে অপহরণকারী বাপ্পিকে আটক করে। 

সিআইডির এসপি আরো জানান, ডা. মিতুু তার আগের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে বাপ্পির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। তার আগের স্বামীর ঘরের একটি ছেলে সন্তান এবং বাপ্পির ঘরে একটি সন্তান রয়েছে। তারা অনেক দিন আগেই বিয়ে করে সংসার করে আসছিলো বলে সিআইডিকে জানায়। 

সিআইডির এসপি জানান, ডা. মিতুর সঙ্গে ৮/৯ বছর ধরে বাপ্পির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের আগেও একবার তারা দুইজনে পালিয়ে গিয়েছিলেন। অনেক বুঝিয়ে তাকে বাড়িতে আনা হলেও আবারো তারা পালিয়ে যায়। বাপ্পি পেশায় নরসুন্দর হলেও তিনি মিতুর বাবার ব্যবসায় ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করতেন। দীর্ঘ ২১ মাস ধরে ডা. মিতু ঢাকার মোহাম্মদপুরে চেম্বার দিয়ে রোগী দেখতেন। তিনি যা রোজগার করতেন তাই দিয়ে বাসা ভাড়াসহ তাদের সংসার খরচ চলতো বলে মিতু জানিয়েছেন। 

ডা. মিতু জানান, বাপ্পির সঙ্গে ২১ মাসের বিবাহিত জীবনে তাদের একটি ছেলে সন্তান হয়েছে তারা সুখেই আছেন। তার বাবা তাদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে বলে দাবি করেন ডা. মিতু। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ

এম২৪নিউজ/আখতার