
রংপুর অফিস:
রংপুরে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। বিভাগের দেড়কোটি মানুষের জন্য বিশেষায়িত ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতালে ধারণক্ষমতার চেয়ে রোগী ভর্তি ও আইসিইউ বেড খালি নেই।
দেশজুড়ে ৭ দিনের লকডাউন বাড়লেও রংপুরে বেড়েছে মানুষের চলাচল ও বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে ভীড় নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পরেও মানুষের চলাচল বেড়েই চলেছে।
নগরীর শাপলা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়,পায়রাচত্বর,সিটি বাজার,মেডিকেল মোড়ে বেড়েছে মানুষের ভীড়। গণপরিবহন ও মোটরচালিত যানবাহন না চললেও রিকশা, প্রাইভেট গাড়ী আর বাইসাইকেলে করেই বের হচ্ছে মানুষ।
রংপুর নগরী জুড়ে ৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসারবাহিনী লকডাউণ কার্যকরে কাজ করছে।নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে যান চলাচল তদারকি ও অযৌক্তিক কারনে বের হওয়া মানুষদের ফেরত পাঠাচ্ছে তারা।এসময় মাস্ক না পরা ও যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হওয়া অনেককেই জরিমানার আওতায় আনা হচ্ছে।
মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন জানান,নিম্নআয়ের মানুষরা তাদের কাজে বের হওয়ায় একটু চলাচল বেড়েছে। তবে আমরা জীবিকা ও লকডাউনের কথা মাথায় রেখেই কাজ করছি।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে প্রশাসন। আমরা বিভিন্ন স্পটে তদারকি করে মাস্ক না পরা ও অযৌক্তিক কারনে বের হওয়া লোকদের জরিমানা করছি।
এম২৪নিউজ/আখতার