
রংপুর অফিস:
রংপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়ক সংস্কারের নামে সরকারী অর্থ লুটপাটের মহোৎসব শুরু হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী বিশেষ করে পাথর, বিটুমিন ব্যাবহার সহ নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে তড়িঘড়ি ৩/৪ দিনের মধ্যেই রাস্তা সংস্কার করায় অনেক স্থানে পাথরে বিটুমিন ঠিক মতো না লাগানো পাথর উঠে যাচ্ছে।
সরেজমিন রংপুর নগরীর লালবাগ থেকে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ক্যাডেট কলেজ পর্যন্ত গুরুত্বপুর্ন সড়কটি সংস্কারের জন্য অর্ধ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু সেখানে আগের সড়ক পরিস্কার না করে তার উপর নিম্নমানের বিটুমিন আর পাথর দিয়ে কোন রকমে কার্পেটিং করে দেয়া হচ্ছে।
এলাকাবাসির অভিযোগ যে পাথর ব্যবহার করা হচ্ছের তা অত্যান্ত নিম্নমানের আর বিটুমিন গুলো খুবই নিম্নমানের। পাথরের সাথে বিটুমিন মিশিয়ে রাস্তায় বিছিয়ে দেবার পর পরেই তা উঠে যাচ্ছে। সেদিক দিয়ে চলাচলকারী যান বাহন গুলো বিশেষ করে মটর সাইকেল চালক ও আরোহীরা সবচেয়ে বিপদের মধ্যে পড়ছেন। বিটুন ও পাথর দেবার পর রাস্তায় খোলা পাথরের গুড়ি যানবাহনের চাকার নীচে দৌড়ে বেরাচ্ছে। এই পাথর এতটাই পিচ্ছিল হয়েছে গত এক সপ্তাহে অন্তত ১৫ জন মটর সাইকেল চালক আরোহি সহ মটর সাইকেল থেকে পিছলে পড়ে আহত হয়েছেন।
সরেজমিন আরো দেখা গেছে সড়কের অনেক স্থানে পাথর ও বিটুমিন বিছানোর পর উঠে যাওয়ায় সেগুলো ঝাড়–দিয়ে তুলে ফেলে স্তুপ করে রাখা হচ্ছে। এ গুলো আবারো রাতের বেলায় গোপনে বিটুমিন দিয়ে রাস্তায় বিছিয়ে দেয়া হচ্ছে। এমনি অবস্থায় সংস্কার করা রাস্তা ৩ মাস টেকার সম্ভাবনা নেই বলে সড়ক বিভাগের নাম প্রকাশে অনিশ্চুক প্রকৌশলী জানিয়েছেন। এ ভাবেই রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিরন সড়ক সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহি প্রকৌশলী মোঃ মাহবুব আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বসুন্দরা বিটুমিন দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।জুন মাসে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও কাজের মান সঠিক না হওয়ার কারনে আমরা এ কাজ অফিসিয়ালী মেনে নেইনি। ঠিকাদারকে সড়কের কাজ ঠিক কওে দেবার জন্য বলা হয়েছে।
এম২৪নিউজ/আখতার