
নিউজ ডেস্ক:
রংপুরের তীস্তানদী বেস্টিত চরাঞ্চলগুলো সোলার বা সৌরশক্তি চালিত ভ্রাম্যমাণ সমন্বিত সেচ ব্যবস্থার কারণে এখন সবুজের সমারোহ হয়ে উঠেছে। গংগাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা উপজেলার তিস্তার চরে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের ফসল কিনতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসছেন ব্যবসায়ীরা। এতে লাভবান হচ্ছে কৃষকরা।
কাউনিয়া উপজেলার কৃষকরা জানান, আগে চরের শত শত একর জমি সেচের অভাবে অনাবাদি পরে থাকত। এখন নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চরের জমিতে চাষ হচ্ছে মিষ্টি কুমড়া, স্কোয়াশ, আলু, মরিচ, ভুট্টা, বাদাম, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল। সোলার বা সৌরশক্তি চালিত ট্রলি ও নৌকায় করে ভ্রাম্যমাণ সেচের মাধ্যমে প্রত্যন্ত চরের জমিতে সেচ নিশ্চিত করায় ফসল উৎপাদন বাড়ছে।
কৃষক নজরুল জানান, নৌকায় বসানো সৌরশক্তি চালিত পাম্পের সাহয্যে জমিতে প্রয়োজনীয় সেচ দিতে পারছেন। এতে খরচও অনেক কম। অথচ আগে সেচ বাবদ বছরে একর প্রতি ৬ হাজার টাকা খরচ হতো। যা বর্তমানে নেমে এসেছে ১ হাজার টাকায়।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) রংপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী এ.এইচ.এম মিজানুল ইসলাম জানান, রংপুর অঞ্চলের ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন ও সেচ দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে তিনটি ট্রলি, একটি নৌকার মাধ্যমে সৌরশক্তি চালিত ভ্রাম্যমাণ এলএলপি সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া দুর্গম চরে কৃষকের সেচ সুবিধার জন্য দুটি পাতকুয়া স্থাপন করা হয়েছে।
রংপুর বিএডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক সঞ্চয় সরকার জানান, কাউনিয়া উপজেলার চারটি চরের ২ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমির মধ্যে ছয়টি সেচ স্কিমের মাধ্যমে প্রায় ৮০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আনা হয়েছে। সুবিধাভোগী কৃষকের সংখ্যা তিন শতাধিক। সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার