
রংপুর অফিস:
হেফাজতে ইসলামের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে বিভাগীয় শহর রংপুরে কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্কাবস্থানে রয়েছেন।
জেলার প্রবেশদ্বার সহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। স্বাভাবিক রয়েছে সড়ক, মহাসড়কে যানবাহন চলাচল।
আজ রোববার ভোর সাড়ে ছয়টা থেকে দশটা পর্যন্ত রংপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। হরতালের সমর্থনে বা হরতাল বিরোধী কাউকে দেখা যায়নি। অনেকটাই প্রভাবহীন এ হরতালে স্বাভাবিক ছিল জীবনযাত্রা। সব সড়কেই সব ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতের কার্যক্রমও ছিল স্বাভাবিক। বিপণিবিতান গুলো খোলা রয়েছে। রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল করছে। সেই সঙ্গে কামারপাড়া ঢাকা কোচ স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে দূরপাল্লার বাসও চলছে। ট্রেন চলাচলও স্বাভাবিক।
অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে রংপুর মহানগর ছাড়াও উপজেলা শহর এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে পুলিশের নিরাপত্তা চৌকি। এছাড়া সাদা পোশাকে রয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ ও র্যাবের টহল।
সারাদেশে হেফাজতে ইসলামের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালকে প্রত্যাখ্যান করে রংপুরে হরতাল বিরোধী মিছিল করেছে জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ।রোববার দুপুরে নগরীর বেতপট্টিস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এরপর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলাম দেশের শান্তি -শৃঙ্খলাকে নষ্ট করে তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। যদি হরতালের নামে রংপুরে কোন ধরণে নাশকতা চালানো হয় তবে, যুবলীগসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল শক্তি এক হয়ে হেফাজতকে প্রতিহত করবে।
রংপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, হরতালে মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। এর পরও শহর ও মহাসড়কে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।
এম২৪নিউজ/আখতার