উত্তর জনপদের সেকাল একাল

নূরুল ইসলাম বরিন্দী:

দেশের জনসংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। সেই ভার বহন করতে পারছে না গ্রামবাংলা। অভাবপীড়িত ছিন্নমূলের দল গ্রাম ছেড়ে ছুটছে শহরের দিকে। ফলে বস্তির বিস্তার ঘটছে শহরের আনাচে কানাচে। যান্ত্রিক যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে জনাকীর্ণ হয়ে উঠছে রাজপথ। কী রাজধানী আর কী মফস্বল শহর। এর পরিধি বাড়ছে দিনকে দিন। দেশে যা কিছু উন্নয়ন, অগ্রগতি ঘটছে তার প্রায় সিংহভাগের সুফল ভোগ করছে শহুরে সুবিধাভোগী শ্রেণী। ধান-চাল-গম-তরি-তরকারির দাম একটু বাড়লেই নাভিশ্বাস ওঠে শহুরে ভদ্র লোকেদের।

অথচ উৎপাদক চাষীরা পায় না পণ্যের ন্যায্যমূল্য। এভাবেই গ্রামবাংলা রয়ে যাচ্ছে যে তিমিরে সেই তিমিরেই। অবহেলিত গ্রাম, বিশেষ করে দেশের উত্তর জনপদের চিরবঞ্চিত মানুষগুলো যে কত দারিদ্র্য আর অভাব-অনটনের মধ্যে দিনাতিপাত করে কেউ রাখে না সে খবর। সহজ-সরল গ্রামীণ মানুষদের নিয়ে রাজনীতি  করেন রাজনৈতিক নেতারা। আসীন হন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিভিন্ন আসনে। গরিব বাপের রক্তপানি করা শ্রম কিংবা জমি বিক্রি করা টাকায় লেখাপড়া শেখা শহুরে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, চাকরিজীবী, শিক্ষাবিদ, সরকারী আমলা, অফিসার, মন্ত্রী-মিনিস্টাররা ভুলে যান তাদের নিজ গ্রামের কথা। অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত গ্রামীণ মানুষদের কথা।

আমার এ প্রতিবেদনটি দেশের উত্তর জনপদের ক্ষুদ্র একটি এলাকাকে নিয়ে লেখা। বস্তুত ছোট্ট একটি অঞ্চলের চালচিত্র অংকন করলে  ফুটে ওঠে গোটা গ্রামবাংলার চেহারা। তদুপরি চির অবহেলিত উত্তর জনপদের অবস্থা যেমন শোচনীয় তেমনি করুণ থেকেছে সেই পাকিস্তান আমল থেকেই। খাদ্যে উদবৃত্ত এলাকা হওয়া সত্ত্বেও গোটা উত্তরাঞ্চল জুড়ে মাঝেমধ্যে নেমে আসে দুর্ভিক্ষের করাল ছায়া। বন্যা, মহামারি প্রায়শই তার মৃত্যুথাবা বসায় বৃহত্তর রংপুরের পথে-প্রান্তরে, বিস্তৃত জনপদে। চিহ্নিত হয় মংগাপীড়িত এলাকা হিসাবে। এ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি কম হয়নি। রাজনীতিও হয়েছে বিস্তর। জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে সাধারণভাবেও আলোচনা হয় বিভিন্ন মহলে। তবে আমার এ লেখার প্রতিপাদ্য এতদবিষয়ে নয়। আমি আঁকতে বসেছি আমার নিজের এলাকার অতীত ও বর্তমানের চালচিত্র।

রংপুর জেলার বৃহত্তম থানা মিঠাপুকুর। ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে অন্যতম একটি ইউনিয়ন রাণীপুকুর। থানাসদর থেকে ৪ মাইল উত্তর-পশ্চিমে, জেলাসদর থেকে ৮ মাইল দক্ষিণে রাণীপুকুরের অবস্থান। রংপুর শহর থেকে সোজা দক্ষিণে জেলা বোর্ডের রাস্তা চলে গেছে ভেন্ডাবাড়ি, বালুয়া মাসিমপুর হয়ে হিলি বর্ডার পর্যন্ত। বৃটিশ আমলে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এ কাঁচা রাস্তাটি অনেক লেখালেখি, আবেদন নিবেদনের পর হাল আমলে এসে পাকা হয়েছে। যানবাহন চলাচল করছে ঠিকই, তবে মেরামতের অভাবে মাঝেমধ্যেই দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের।

শ্যামপুর স্টেশন থেকে যে রাস্তাটি রাণীপুকুর হয়ে মোলং হাটের ভেতর দিয়ে জায়গীরহাটের কাছে মহাসড়কে উঠেছে সেটি নাকি শ্যামপুর সুগারমিলের কল্যাণে হয়েছে তাদের ট্রাক্টর চালাবার জন্য। এছাড়া অসংখ্য ছোটখাট রাস্তা ছাড়াও জেলা কিংবা থানাসদরের সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী কাঁচা রাস্তাগুলো পাকা, আধা-পাকা করা হয়েছে। ছোটবেলায় দেখেছি রংপুর শহরের সিংহভাগ তরি-তরকারি ও ভেন্ডাবাড়ির আমন চাল সরবরাহ হতো বেপারীদের ‘ভার-বাউংকা’ আর রাতের বেলা ‘আমন্দী’গরুর গাড়ির মাধ্যমে জেলা বোর্ডের রাস্তা দিয়ে। বর্ষাকালে দুর্ভোগের অন্ত থাকতো  না বেপারী আর কৃষকদের। এখন সেই রাস্তা পাকা হওয়ার ফলে যাত্রী-পণ্য পরিবহন হয় অটোরিকশা, ভ্যান, ট্রলি, বাস, ট্রাক ইত্যাদির মাধ্যমে।  

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, সুদূর অতীতে রাণীপুকুর ছিল একটি ব্যবসা কেন্দ্র ও নদী-বন্দর। হল্লাই নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল এ বন্দর। সেই নদী কবে মরে গিয়ে  পরিণত হয়েছে আবাদি জমিতে। উত্তরে কুন্ডি পরগনা, দক্ষিণে বাতাসন মৌজা। মধ্যখানে দুই পরগনা বিভাজনকারী বিশাল ভীমের গড় এঁকে বেঁকে চলে গেছে পুব থেকে পশ্চিমে। বাতাসন পরগনার জমিদারি সেরেস্তা বা কাচারিবাড়ি ছিল রাণীপুকুরে। পরগনার জমিদার ছিলেন মুর্শিদাবাদের মহারাজ জগৎপত সিং দুগড়। একবার মুর্শিদাবাদ থেকে জমিদারপত্নী এস্টেট পরিদর্শনে এলে এখানে খনন করেন একটি বিশাল পুকুর। সেই থেকেই নাকি এর নাম হয় রাণীর পুকুর বা রাণীপুকুর। জমিদারি আমলের সেরেস্তার নায়েব নিযুক্ত হয়ে আসতেন মুর্শিদাবাদ থেকে। এই সেরেস্তার শেষ নায়েব ছিলেন বাবু পঞ্চানন সরকার। আবলুস কাঠের মতো গায়ের রং, বিশাল  বপুবিশিষ্ট এ নায়েবটিকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল আমাদের ছোটবেলায় ১৯৫৩/৫৪ সালের দিকে। বড় আমুদে এবং খুবই বিদ্যোৎসাহী লোক ছিলেন পঞ্চানন সরকার। তৎকালীন এতদঞ্চলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে ছিল কুন্ডি জমিদার প্রতিষ্ঠিত কুন্ডি হাইস্কুল। আমাদের বাপ-দাদারা যেতেন পায়ে হেঁটে রাণীপুকুর থেকে সেই কুন্ডি হাইস্কুলে পড়তে। ছেলেবেলায় রংপুর জেলার ভূগোল নামক পাঠ্যপুস্তকে পড়েছিলাম জেলার প্রসিদ্ধ স্থানগুলোর মধ্যে রাণীপুকুর একটি শিক্ষিত-প্রধান স্থান।

অবশ্য এর পিছনে অবদান ছিল ১৯ শতকের  প্রথমপাদে প্রতিষ্ঠিত রাণীপুকুর হাইস্কুলের। এই ঐতিহ্যবাহী হাইস্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্থানীয় কিছু বিদ্যানুরাগী ব্যক্তি ও আপামর জনসাধারণের ঐকান্তিক প্রয়াস-প্রচেষ্টার ফলে। আমাদের প্রজন্মের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ নাসিম উদ্দিন আহমেদ (রংপুর কারমাইকেল কলেজের ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ), আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক-কলামিষ্ট আখতার-উল-আলমের মতো দেশবরেণ্য ব্যক্তিগণ ছিলেন এই রাণীপুকুর হাইস্কুলের ছাত্র।

এখন আর সেই জমিদারি আমলের কোনো ধ্বংসাবশেষ অবশিষ্ট নেই রাণীপুকুরে। নায়েববাড়ির বিশাল পূজামন্ডপের অস্তিত্বহীনতার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে জমিদারের কাচারিবাড়ি। ভাঙ্গা, পলেস্তরা খসা বর্তমান তহশিল অফিসঘরটি ধরে রেখেছে জমিদারি আমলের চিহ্ন। রাণীর পুকুরটি আছে, চৈত্রমাসে পানি শুকিয়ে যায়। সুবিখ্যাত খেলার মাঠটি আছে, আগের মতো আর খেলা জমে ওঠে না। স্কুলটির খোল-নলচে পাল্টে গিয়ে গায়ে উঠেছে ইটের শক্ত গাঁথুনি। হাইস্কুলের সাথে কলেজ যুক্ত হয়ে নাম হয়েছে “রাণীপুকুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ”। স্কুল থেকে আলাদা হয়েছে কলেজ বিল্ডিং। পড়ালেখা কেমন হয় জানি না। তবে সেই আমলের হেড মাস্টার কালিপদ বাবু, মতি বাবু, আলিম মিয়া, রইছ উদ্দিন মিয়া, আব্দুল খলেক মাস্টার, জামিন উদ্দিন মৌলবী, খগেন মাস্টারদের মতো শিক্ষকদের আজ বড়ই অভাব।

ছোটবেলায় দেখেছি রাণীপুকুরের মাটিতে পদার্পণ করেছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, আবু হোসেন সরকার, শিক্ষামন্ত্রী মফিজ উদ্দিন, কোরবান আলী, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, গায়ক আব্বাস উদ্দিনের মতো বিখ্যাত সব ব্যক্তিত্ব। সেসব আজ অতীত দিনের স্মৃতি , ধূসরবর্ণ সেলুলয়েড, কালের কপোল তলে হারিয়ে যাওয়া বিবর্ণ, সেইসাথে বর্ণাঢ্য স্মৃতি!

রাণীপুকুরের অতীত আর বর্তমানের মধ্যে দুস্তর ব্যবধান। এ ব্যবধান বাড়ছে ক্রমশ। আগে লোকসংখ্যা ছিল কম, জমি ছিল বিস্তর। আগের একান্নবর্তী পরিবার ভেংগে ভেংগে হয়েছে শতধাবিভক্ত। যেমন ছিল সম্পন্ন গেরস্থ, তেমনি ছিল কামলা-মজুরও। জমিতে ফসল ফলতো প্রচুর। অভাবী মানুষের সংখ্যা যে একেবারে কম ছিল তা-ও নয়। আশ্বিন-কার্তিক মাসে আকাল পড়তো। তখন ‘কন্ট্রলের’ চালের ভাত খেত অনেকেই। গ্রামে এখন হাতেগোনা সম্পন্ন কৃষক দেখা গেলেও আধিয়ার আর মজুরের সংখ্যাই বেশি। ঘরে ঘরে ছিল গরুর গাড়ি। সেই গরুর গাড়ি এখন চোখেই পড়ে না। তার বদলে চলে ট্রলি, ট্রাক্টর, ভ্যান,অটো, সিএনজি। অসংখ্য কাঁচা রাস্তা পাকা হওয়ায় যানবাহনে যাওয়া যায় ঘরের দরজা পর্যন্ত। ঘরে ঘরে পল্লী বিদ্যুতের আলো। ক্ষেতে পানি দেওয়ার জন্য গভীর নলকূপ চলে বিদ্যুতের সাহায্যে। আধিয়ার (বর্গাচাষী) সাজাহান আলীর হালের বলদ আছে, কিন্তু জমিহীন। বর্গাচাষ করে দোভাগা-তেভাগা। অভাবের সময় ধানের ওপর টাকা নিয়ে ইরি ধান করে। একরপ্রতি পানি বাবদ ১ হাজার, বীজ, সার, কীটনাশকে খরচ পড়ে ৪ হাজার। আবাদের পিছনে খরচ করা টাকা পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় উঠে আসে না। ঘরে ধান তোলার পর জমির মালিক, দাদন ব্যবসায়ীকে দেনা পরিশোধ করে হাতে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। এই হলো সাজাহান আলীর মতো হাজারো বর্গাচাষীর অবস্থা।

তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে অনেক। আগে চিকিৎসা ব্যবস্থা ছিল অপ্রতুল। এখন সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে রয়েছে হেলথ সেন্টার। জনসংখ্যা নিরোধের কার্যকর ব্যবস্থার জন্য রয়েছে পরিবার পরিকল্পনাকর্মী এবং সমবায় সমিতি,  কিছু কিছু এনজিও। রয়েছে কৃষি ব্যাংক। কৃষিতে উৎপাদন বেড়েছে চাষাবাদে আধুনিক টেকনিক প্রয়োগের ফলে। তবে কৃষি উপকরণের সহজপ্রাপ্যতার ফলে উৎপাদন বাড়লেও চাষীরা পান না তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য। বাজারে ফড়িয়া আর মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বেশি। আশার কথা গ্রামাঞ্চলে শিক্ষিতের হার বেড়েছে আগের চেয়ে। তবে শিক্ষিতের হার বাড়লেও বন্ধ হয়নি এ প্রজন্মের মতিবিভ্রমকারী মদাসক্ততা, অসামাজিক কার্যকলাপ আর দুর্বৃত্তায়ন। এ সমস্যা আগে ছিল এখনও আছে। এই হলো বর্তমান রাণীপুকুর তথা মিঠাপুকুর উপজেলার চালচিত্র।

আলাপ হয়েছিল বৃদ্ধ আকালু শেখ, জালাল উদ্দিন, মন্তাজ আলীর সাথে। আমার ছেলেবেলাকার সময় এরা সবাই ছিলেন তাগড়া জোয়ান মরদ। চার চারটি পাটের আটি কাঁধে নিতে পারতেন অনায়াসে। বলতে গেলে বংশানুক্রমে এরা দিনমজুর। এখনও গেরস্থের কামলা খাটেন অভাবের তাড়নায়। তবে আগের মতো সেই শক্তি আর নেই দেহে। অপুষ্টিজনিত রোগজর্জর দেহে ধূসর বিবর্ণতা, বার্ধক্যের করাল ছায়া। জিজ্ঞেস করেছিলাম—‘দিনকাল কেমন চলছে বাহে?’ ম্লান হেসে আকালু শেখ জবাব দিয়েছিলেন—‘সারা বছর ধরি হামার কামকাজ নাই। আবাদের সউগ কাম চলে যন্ত্র দিয়া। তালেবরেরা আর কিষাণ খোঁজে না। এক বেটা এক বেটি ঢাকাত গার্মেন্টত চাকরি করে। মাসে মাসে কিছু করি টাকা পাটায়। তাকে দিয়া কোনোরকম চলে’।

এটা ঠিক, আকালু শেখের ছেলে-মেয়েদের মতো গ্রামবাংলার হাজারো লাখো অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত বেকারদের পরিবারের জীবন-জীবিকা নির্বাহের মুখ্য অবলম্ব্বন আজ গার্মেন্টস শিল্প। এখন সকলের হাতে হাতে মোবাইল সেট, ঘরে ঘরে টিভি, ডিসের লাইন, ছুটিশেষে পোশাককর্মীদের ঢাকায় কর্মস্থলে ফেরার তাড়া। ভালো লাগে এসব অভাব-অনটনের সংসারে কিছুটা হলেও সমৃদ্ধির দৃশ্য দেখতে।

সন্ধ্যায় চায়ের দোকানের আড্ডায় আলাপ হয়েছিল জনাকয়েক শিক্ষিত বেকার যুবকের সাথে। এদের কেউ কেউ ভিলেজ পলিটিক্স করে, কারো কারো সাথে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের। নির্বাচনের সময় এরা সক্রিয় হয়। দলের কর্মী হিসাবে কামাই করে কিছু টু-পাইস। বাকি সময়টা কাটে গরিব কিংবা মধ্যবিত্ত কৃষক বাপের অন্ন ধ্বংস করে। এলাকায় কোনো শিল্প-কল-কারখানা নেই। তাই লেখাপড়া শিখেও চাকরির সংস্থানও নেই। এদের সংখ্যা বাড়ছে দিনকে দিন।

এই হলো গোটা উত্তর জনপদের গ্রামীণ সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক দিকের কিছুটা হাল অবস্থা। বৃহত্তর রংপুরের মন্দাবস্থা কিছুটা ঘুচলেও শুধুই কৃষিনির্ভরতার কারণে, এলাকায় শিল্প,কল-কারখানা গড়ে না ওঠায় বাড়ছে বেকারত্বের সংখ্যা।  গ্রামীণ অর্থনীতি ঘুরপাক খাচ্ছে  সীমিত ক্ষেত্রে। এ অবস্থার পরিবর্তন হওয়া দরকার।

নূরুল ইসলাম বরিন্দী, ই-মেইল: nibarindi@gmail.com