
অনলাইন ডেস্ক:
সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেল-জরিমানার ঘটনায় ওএসডি হওয়া কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসি মোছা. সুলতানা পারভীনসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে কেন তাদের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না- সেই বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত থাকায় তারা এখন বেতনও পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বৃহস্পতিবার বলেন, ডিসিসহ চারজনকে জনপ্রশাসনে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। ওএসডি থাকাকালে তাদের বেতন বন্ধ থাকে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। কুড়িগ্রাম থেকেও একটি মামলা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, জামালপুরের জেলা প্রশাসকের (নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা) মতো এরপর তাদের শুনানির সম্মুখীন হতে হবে। দোষের মাত্রা ও সার্ভিস রুলস অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, নাজিম উদ্দিনসহ দুই-তিনজনের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের তদন্ত শেষে দুদককেও বলবো তাদের দুর্নীতি তদন্ত করার জন্য। নাজিম উদ্দিন উখিয়াতেও ঝামেলা করেছিল।
একজন ছোট অফিসার জয়েন করে অবৈধভাবে কোটি টাকা আয় করেছে, এটা মানা যায় না। তাদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা থাকবে। এটা উদাহরণ হবে সবার জন্য।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।