
নিউজ ডেস্ক:
রাজশাহীর শ্রীরামপুরে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় কনের চাচা ও চাচাতো বোনসহ ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কনে সুইটি খাতুন পূর্ণিমা।
শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলের অদূরে পূর্ণিমার চাচা শামীম ও চাচাতো বোন রশ্মি খাতুনের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কনে সুইটি খাতুন পূর্ণিমা, তার খালা আঁখি, ফুফাতো বোনের মেয়ে রুবাইয়া।
এর আগে শুক্রবার রাতে উদ্ধার করা হয় পূর্ণিমার বোনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের লাশ। শনিবার সকালে চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুরে পদ্মার ভাটিতে মেলে পূর্ণিমার চাচি মনি বেগমের লাশ। দুপুরে ঘটনাস্থলের অদূরে জেলেদের জালে উঠে আসে কনের খালাতো ভাই এখলাসের লাশ। বিকেলে একই স্থান থেকে কনের দুলাভাই রতন আলীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ, বিজিবি, বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরিরা। তাদের সহায়তা করছে স্থানীয় জেলেরা।
শুক্রবার রাতে রাজশাহীর চর খানপুর থেকে শহরে ফেরার সময় শ্রীরামপুরে ডিসির বাংলো এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে যায় বরযাত্রীবাহী দুটি নৌকা। ওই ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বর ও কনের বড় বোনসহ ৩২ জনকে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কনেসহ তিনজন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলাম জানান, ডুবে যাওয়া নৌকা দুটিতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া হয়েছিল। হঠাৎ একটি নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ওই সময় দমকা বাতাসে ডুবে যায় নৌকা দুটি।
তিনি আরো জানান, নৌকা দুটির অবস্থান জানা গেছে। উজান ও ভাটিতে উদ্ধার তৎপরতা চলছে। নিখোঁজ ও নিহতদের পরিচয় জানা গেছে।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।