
অনলাইন ডেস্ক:
নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা এলাকায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার নাদিম নামের এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ভোরের কথা নামের একটি পত্রিকায় কাজ করতেন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২১ জনে দাঁড়াল।
শনিবার রাতে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাদিমের মৃত্যু হয়। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়াও চিকিৎসাধীন বাকি মুসল্লিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাহারউদ্দিন নামে একজনের মৃত্যু হয়। তার আগে মারা যান রাসেল, মো. নয়ন ও কাঞ্চন হাওলাদার নামের আরো তিনজন।
মৃত অন্যরা হলেন- রিফাত, মোস্তফা কামাল, জুবায়ের, সাব্বির, কুদ্দুস ব্যাপরী, হুমায়ুন কবির, ইব্রাহিম, মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন, জুনায়েদ, জামাল, জুয়েল, জয়নাল আবেদিন ও মাইনুদ্দিন। নিহত ২০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রথম মৃত্যু হয় জুয়েল নামের এক শিশুর। এরপর রাতে, সকালে ও বিকেলে অন্যদের মৃত্যু হয়। মৃতের তালিকায় রয়েছেন মসজিদের মুয়াজ্জিনও।
শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর দগ্ধ ৩৭ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে প্রাথমিকভাবে এসি নয় গ্যাসলাইন থেকে মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন। শুক্রবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ কথা জানান তিনি।
এ ঘটনায় তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস একটি, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ একটি ও জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ডেইলী বাংলাদেশ
এম২৪নিউজ/আখতার