মিঠাপুকুর২৪নিউজ ডেক্স
মিঠাপুকুরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাত এবং মারপিট করে ফাঁকাস্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কুখ্যাত প্রতারক ও চাঁদাবাজ রফিকুল ইসলাম গ্রেফতার হয়েছেন। বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এদিকে, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদি ও তার লোকজনকে হুমকী দিচ্ছে প্রতারক চক্র। অন্যথায় অপূরণীয় ক্ষতি হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মামলা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার চেংমারী ইউনিয়নের গিলাঝুকি দক্ষিণপাড়া গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে গোলাম মোস্তফা একটি ওষুধ কোম্পানীতে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করেন। ২০১৬ সালে তিনি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে চাকরির জন্য আবেদন করেন। তার সাথে পরিচয়ের সুবাদে খোড়াগাছ পশ্চিমপাড়া জাহাঙ্গীর আলম, বড় হযরতপুর ইউনিয়নের রামরায়ের পাড়ার রফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি জানান, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে উর্দ্ধতন কর্তকর্তার সাথে ভাল সর্ম্পক আছে। সেখানে যোগাযোগ করলে চাকরি নিশ্চিত হয়ে যাবে। এ জন্য নয় লাখ টাকা দিতে হবে। এই প্রলোভনে গোলাম মোস্তফার কাছ থেকে ২০১৬ সালের বিভিন্ন তারিখে নগদ, মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড এবং বিকাশের মাধ্যমে আট লাখ ৫৬ হাজার টাকা গ্রহন করেন প্রতারক রফিকুল। এরপর তারা সময় ক্ষেপন করতে থাকেন।
মামলা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার চেংমারী ইউনিয়নের গিলাঝুকি দক্ষিণপাড়া গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে গোলাম মোস্তফা একটি ওষুধ কোম্পানীতে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করেন। ২০১৬ সালে তিনি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে চাকরির জন্য আবেদন করেন। তার সাথে পরিচয়ের সুবাদে খোড়াগাছ পশ্চিমপাড়া জাহাঙ্গীর আলম, বড় হযরতপুর ইউনিয়নের রামরায়ের পাড়ার রফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি জানান, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে উর্দ্ধতন কর্তকর্তার সাথে ভাল সর্ম্পক আছে। সেখানে যোগাযোগ করলে চাকরি নিশ্চিত হয়ে যাবে। এ জন্য নয় লাখ টাকা দিতে হবে। এই প্রলোভনে গোলাম মোস্তফার কাছ থেকে ২০১৬ সালের বিভিন্ন তারিখে নগদ, মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড এবং বিকাশের মাধ্যমে আট লাখ ৫৬ হাজার টাকা গ্রহন করেন প্রতারক রফিকুল। এরপর তারা সময় ক্ষেপন করতে থাকেন।
দির্ঘদিন অতিবাহিত হলেও চাকরি আর হয়না। এক পর্যায়ে গোলাম মোস্তফা টাকা ফেরত চান। বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার কথা বলে প্রতারক চক্র ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকালে গোলাম মোস্তফা ও স্বাক্ষীদেরকে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে বেধড়ক মারপিট ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গোলাম মোস্তফার কাছে একশত টাকা মূল্যের ৫টি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন প্রতারক জাহাঙ্গীর, রফিকুল ও তাদের সহযোগিরা। পরে অন্য স্বাক্ষীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গোলাম মোস্তফাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় তিনি আদালতে একটি মামলা করেন। আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করেন।
বুধবার রাতে চেংমারী ইউনিয়নের পাগলারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ। তাকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করেছেন, আসামী পক্ষ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকী দিচ্ছে। অন্যথায়, বাদি ও স্বক্ষীদের অপহরণসহ অপূরণীয় ক্ষতি বলে জানিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে থানায় সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে।
মিঠাপুকুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, চাকরির প্রলোভনে রফিকুলের নেতৃত্বে একটি প্রতারক চক্র নিরিহ যুবকের সাড়ে আট লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। এ ঘটনায় মামলায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি করেছেন।
So nice news.Go ahead “Mithapukur 24news.com
thank you