
স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শঠিবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ টেন্ডার ছাড়াই কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসির বাধার মুখে স্থানীয় ‘ছ-মিল” থেকে কিছু গাছ বিদ্যালয় মাঠে এনে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুর উপজেলার শঠিবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ও পুকুর পাড়ের অন্তত. ৩০টি বৃহৎ আকারের মূলবান প্রজাতির গাছ কেটে ফেলেন প্রধান হরেন্দ্রনাথ সাহা। কর্তনকৃত গাছের মূল্য ১০ লক্ষাধিক টাকা। কেটে ফেলা অধিকাংশ গাছের বড় বড় গোলাই স্থানীয় একটি ছ-মিলে নেওয়া হয়।
এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কানা-ঘুষা শুরু হলে এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে ছ-মিলে রাখা গাছের গোলাই এর মধ্যে লোক দেখানোভাবে কয়েকটি গোলাই ছ-মিল থেকে ভ্যানে করে স্কুল মাঠে ফেরত আনেন স্কুল কমিটি। সিংহভাগ বড় বড় গাছের গোলাই কোনরকম টেন্ডার ও নিলাম ডাক ছাড়াই চোরাইভাবে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এনিয়ে শঠিবাড়ীতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হরেন্দ্রনাথ সাহা বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর একটি রেজুলেশনের মাধ্যমে কয়েকটি মরা গাছ কর্তন করা হয়েছে। যাহা বর্তমানে বিদ্যালয় চত্বরে আছে। গাছের সংখ্যা এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে তিনি জুম মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকার কথা বলে মোবাইল সংযোগ কেটে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, ১৫/২০ দিন আগে ৫/৬ টি মরা গাছ কাটার অজুহাতে প্রধান শিক্ষক প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ২৫/৩০ টি বড় বড় (সেগুন কাঠাল মেহগনি ইউক্যালিপটা আকাশমনি সহ বিভিন্ন ধরনের) গাছ কর্তন করে পাশ্ববর্তী একটি ছ-মিলে নিয়ে যায়।
এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে সন্দেহ সৃষ্টি হলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে গাছ কাটার তথ্য জানতে চান। প্রধান শিক্ষক এ ব্যাপারে সঠিক তথ্য দিতে না পেরে কমিটির দোহাই দেন। স্থানীয় বাসিন্দাসহ অভিভাবক মহল এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এম২৪নিউজ/আখতার