
স্টাফ রিপোর্টার:
মিঠাপুকুরে উদ্ধার হওয়া দেড় কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য কোকেন বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাব।
শনিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম পলাশ। রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলে এটাই প্রথম কোকেন উদ্ধারের ঘটনা বলে জানিয়েছে পুলিশ কর্মকর্তারা।

শামসুজ্জামান ওরফে ছামছু উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নের পাইকাড়েরহাট এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টি মাদক ও একটি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়নের রুকনি মাজার মোড়ে তিনটি ছোট পলিব্যাগে সন্দেহজনক নেশাজাতীয় ৪৫ গ্রাম সাদা পাউডারসদৃশ বস্তু ও ৫১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি শামসুজ্জামানওরফে ছামছুকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি)। পরে উদ্ধার হওয়া পাউডারের রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য রাজশাহীতে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে উদ্ধার হওয়া পাউডারগুলো মাদকদ্রব্য কোকেন বলে জানানো হয়।
কোকেনসহ গ্রেফতার মাদক চোরাকারবারি শামসুজ্জামান ওরফে ছামছুর (৪৮) বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি মাদক মামলা ও একটি চাঁদাবাজিসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রংপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম পলাশ বলেন, বাংলাদেশে কোকেন খুবই ব্যয়বহুল একটি মাদক। প্রতি গ্রাম কোকেন ১ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। সেই হিসেবে উদ্ধার হওয়া কোকেনের মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।
তিনি আরো বলেন, যতদূর জানা যায়, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলে এটাই প্রথম পুলিশ কর্তৃক কোকেন উদ্ধারের ঘটনা। এর উৎস ও প্রবাহ সম্পর্কে জানতে গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে পুলিশ। তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ
এম২৪নিউজ/আখতার