মিঠাপুকুরে হিমাগারে পঁচে গেলো ১০০ মণ হাঁড়িভাঙ্গা আম

স্টাফ রিপোর্টার:

মিঠাপুকুরে কাঁচামাল সংরক্ষণাগারে (হিমাগার) হাঁড়িভাঙ্গা আম রেখে বিপাকে পড়েছেন আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যবসায়ী। কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে হিমাগারেই পঁচে গেছে ওই ব্যবসায়ীর ১০০ মণ আম। এ ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। শনিবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্র ও ক্ষতিগ্রস্থ্য ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত সাকিব এন্টারপ্রাইজ নামে একটি কাঁচামাল সংরক্ষণাগার (হিমাগার) আছে। এই হিমাগারে ১০০ মণ হাঁড়িভাঙ্গা আম কিনে রাখেন পার্শ্ববর্তী বদরগঞ্জ উপজেলার নাগেরহাট এলাকার আম ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক। কিন্তু সংরক্ষণ করে বিপাকে পড়ছেন তিনি। সংরক্ষিত আমের অন্তত. ২০০ ক্যারেট (১০০ মন) আম হিমাগারে নষ্ট হওয়ায় মুনাফার বদলে লোকসান গুনছেন তিনি।

এ ঘটনায় মিঠাপুকুর থানায় একটি অভাযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ্য আম ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক।।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, যথাযথ সংরক্ষণ পদ্ধতির অভাব তো রয়েছেই, হিমাগার কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণও করে না। আমের পাশাপাশি মিষ্টি, খেজুর রাখা হয় হিমাগারে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আম পঁচে বিক্রির অযোগ্য হয়ে পড়েছে।’ এ ঘটনায় প্রায় ৪ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ওই ব্যবসায়ী।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার পর মিঠাপুকুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল ইমরান শনিবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফারুক আল মুজাহিদ বলেন, ‘বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের লক্ষে এলাকার কয়েকজন গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বসা হয়। যেহেতু  আম ব্যবসায়ী অনেক ক্ষতিগ্রস্থ্য সেই সুবাদে হিমাগারের মালিককে অন্তত ভাড়াটা মওকুফ করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি উল্টো হুমকি প্রদান করেন। থানা পুলিশ নাকি তাদের পকেটে থাকে।

সাকিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সাকিব শাওন  বলেন, ‘যতটুকু আম পঁচে গেছে, এর জন্য কর্তৃপক্ষ কোনোভাবে দায়ী নয়। রশিদে উল্লেখ ছিল সর্বোচ্চ ১৫ দিনের বেশি আম রাখা যাবে না। কিন্তু ২০ দিনেরও বেশি আম রেখেছেন আব্দুর রাজ্জাক। তাই, পঁচে গেলেও এর দায় আমরা নেবনা।’

মিঠাপুকুর থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply