মিঠাপুকুরে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে জোরপূর্বক প্রচীর নির্মাণের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

মিঠাপুকুরে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে জোর পূর্বক প্রচীর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় জমি বে-দখল করে এই প্রচীর নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিঠাপুকুর উপজেলা সদরের গড়েরমাথা নামকস্থানে রশিদপুর মৌজার ৩ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। রশিদপুর গ্রামের শফিউল আলম ওই সম্পত্তিতে দির্ঘদিন ধরে অবকাঠামো নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। সম্প্রতি, ওই সম্পত্তি রতন মন্ডল নামে একজন ক্রয়সূত্রে দাবি করেন। তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি জোরপূর্বক সরিয়ে দিয়ে প্রচীর নির্মাণ করছেন। এ ঘটনায় দু’পক্ষই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ঘটছে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। শফিউল আলমের লোকজনের অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসন রতনের পক্ষ নিয়ে ওই সম্পত্তি জোর পূর্বক বে-দখল করে দিচ্ছেন।

শফিউল ইসলামের স্বজন আল-সবে মেরাজ বলেন, দির্ঘদিন ধরে ওই সম্পত্তিতে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রতন মন্ডল হঠাৎ ওই সম্পত্তি নিজের দাবি করে অবৈধভাবে দখল নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে দিয়ে প্রচীর নির্মাণ করছেন।

তিনি আরও বলেন, সম্পত্তিটুকু বে-দখল করতে রতন মন্ডল পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করছে। পুলিশ নিয়মিতভাবে আমাদের হুমকি দিচ্ছে। আমরা চরম নিরাপত্তহীনতায় ভূগছি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বলেন, রতন মন্ডল বেশ প্রভাবশালী। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে জমি বে-দখল করছেন।

শফিউল আলম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে রতন মন্ডল আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হয়রানীর চেস্টা করছেন। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে জমিগুলো বে-দখল করছেন। পুলিশ সাদা পোশাকে ঘটনাস্থলে থেকে প্রচীর নির্মাণ করাচ্ছেন। অভিযুক্ত রতন মন্ডল বলেন, আমি জমিটুকু ক্রয় করেছি। ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে আমি প্রচীর নির্মাণ করছি।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে পুলিশ কয়েকবার শালিস বৈঠক করেছে। বেঠকের সীধান্ত অনুযায়ী প্রচীর নির্মাণ হচ্ছে।

মিঠাপুকুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এম২৪নিউজ/আখতার

Leave a Reply