
নিউজ ডেস্ক:
দিনাজপুরে দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করায় জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকালে ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের কারণে খেটে খাওয়া মানুষ কাহিল হয়েছে পড়েছেন।
রোববার ভোরে দিনাজপুর দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতে একেবারেই কমে যায় তাপমাত্রা। সন্ধ্যার পর জেঁকে বসে শীতের তীব্রতা। ফলে মৃদুভাবে বইছে শৈত্য প্রবাহ। তবে সন্ধ্যার পর কুয়াশা আর ঠান্ডার কারণে ঘরের বাইরে যান না অনেকেই।
শীতের কারণে আলু চাষিরা পড়েছেন বিপাকে। আলুর গাছ রক্ষার্থে চাষিরা স্প্রে দিচ্ছেন নিয়মিত। অন্যদিকে হাড় কাঁপানো ও কনকনে শীতে ব্যহত হয়েছে ছিন্নমূল মানুষের জীবনযাত্রা। বেশি বিপদে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। ভোরের দিকে কুয়াশার কারণে রাস্তায় গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে মানুষকে চলাচল করতে দেখা গেছে।
কুয়াশা ও হিমেল বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের মাত্রা। হাঁড় কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছেন ছিন্নমূল মানুষ। বিশেষ করে জেলার রেলস্টেশনসহ বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নেয়া ছিন্নমূল মানুষ অনেক কষ্টে দিন যাপন করছেন। আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন শীতার্ত মানুষ। শীতের প্রকোপ থেকে রেহাই নেই পশু পাখিদেরও।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জুর রহমান জানান, দিনাজপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হচ্ছে। দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও ঠান্ডার পরিমাণ কমছে না।
দিনাজপুর ডিসি মাহমুদুল আলম বলেন, সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীর্তাত মানুষের জন্য শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।