
স্টাফ রিপোর্টার:
মিঠাপুকুরে চাঞ্চল্যকর কলেজছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করায় আসামীদের অব্যাহত হুমকির মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে পরিবার। মামলা দায়েরের ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এরফলে, আসামী পক্ষের লোকজন মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করছে। ধর্ষণের শিকার ওই কলেজছাত্রী আত্মগোপনে রয়েছে। এছাড়াও, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারন ডায়েরী করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক। আবু বক্কর সিদ্দিক মিঠাপুকুর উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের ভক্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমার মেয়ে বৈরাগীগঞ্জে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে পায়রাবন্দের বিরাহিপুর গ্রামের মিজানুর রহমান ওরফে মিলন রংপুরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরফলে, মেয়ে গুরুত্বর অসুস্থ্য হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করি। এ ঘটনায় রংপুর কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু, পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করেনি। এরফলে, আসামীর লোকজনেরা মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।
তিনি আরও বলেন, আসামী পক্ষের অব্যাহত হুমকির মুখে আমার অসুস্থ্য মেয়েকে আত্মগোপনে রাখতে বাধ্য হয়েছি। তারা (আসামীর লোকজন) আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আমি একজন চায়ের দোকানদার, অপরদিকে আসামীর লোকজনেরা প্রভাবশালী।
অভিযোগ রয়েছে, তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামী পক্ষের সাথে আতাত করেছেন। প্রায় ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেনি। এরফলে, আসামীর লোকজন ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর পরিবারকে হুমকি প্রদান করছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর কোতোয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুনুর রশীদ বলেন, আসামীকে গ্রেফতারের চেস্টা চলছে। হুমকি প্রদানের বিষয়ে কোতয়ালী থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন মামলা বাদী।
আরো পড়ুন: মিঠাপুকুরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, দুই চোর আটক
মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিরুজ্জামান বলেন, মামলাটি হয়েছে রংপুর কোতোয়ালী থানায়। আসামীপক্ষের লোকজনেরা ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর পরিবারকে হুমকির বিষয়ে নিরাপত্তা চেয়ে মামলার বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক সদর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন শুনেছি।
এম২৪নিউজ/আখতার