রংপুরে অসাধু বিড়ি মালিকদের সিন্ডিকেট

প্রতি বছর ৫’শ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি

নিউজ ডেস্ক:

সরকারকে প্রায় ৫’শ কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছে রংপুরের অসাধু বিড়ি মালিকরা। সরকারকে কোন প্রকার মূল্য সংযোজন করসহ রাজস্ব না দিয়ে বিড়ির নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে বিক্রি করছে তারা। এতে করে গত প্রায় ৩ বছর ধরে ১৫’শ কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার। অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে, অসাধু বিড়ি মালিকরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কাস্টমস্ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে এ অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দেয়া বিড়ি কারখানার মালিকরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিড়ি শিল্প এলাকাখ্যাত রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভা। এক সময় এখানে সরকারের নিবন্ধিত ২০ থেকে ২৫টি কারখানায় ৩ লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করতো। পৌরসভায় বসবাসকারী প্রত্যেক পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই বিড়ি শিল্পের সাথে জড়িত ছিলো। ফলে বিড়ি প্রস্তুতকরণই ছিলো তাদের রুটি-রুজির একমাত্র অবলম্বন। সরকার তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকে নিরুৎসাহিত করতে এ শিল্পের পণ্যের উপর প্রতি বছরই করারোপ বৃদ্ধি করতে থাকে। এতে করে বিড়ির উৎপাদন খরচের পাশাপাশি ভ্যাট-ট্যাক্সও বেড়েছে।

বিগত সময়ে সরকার সরেজমিনে প্রতিনিধি পাঠিয়ে বিড়ি কারখানাগুলোর নানা দিক ও কাগজপত্র পর্যবেক্ষন করে বিড়ি কারখানা স্থাপন, বিড়ি উৎপাদন ও বাজারজাত করণের লাইসেন্স প্রদান করত। গত ৩ বছর ধরে সরকার অনলাইনের মাধ্যমে বিড়ি কারখানা চালুর জন্য লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম শুরু করে। এতে করে হারাগাছসহ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক ছোট ছোট বিড়ি কারখানা গড়ে উঠেছে। জেলা বিড়ি কারখানা মালিক সমিতির দেয়া তথ্য মতে, রংপুরে ২০ থেকে ২৫টি বড় বিড়ি কারখানা রয়েছে যারা নিয়মিত সরকারকে রাজস্ব প্রদান করে আসছে। বাকী বিড়ি কারখানার মালিকরা অসাধু উপায়ে নকল ব্যান্ড রোল ছাপিয়ে বা পুরাতন ব্যান্ড রোল ব্যবহার করে বিড়ি বাজারজাত করছে।

সরকারের বেঁধে দেয়া এক প্যাকেট বিড়ির মূল্য ১৪ টাকা। এর মধ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স ও স্বাস্থ্যখাতে ৭ টাকা ৮৩ পয়সা সরকারকে রাজস্ব হিসেবে প্রদান করতে হয়। ফলে ৬ টাকা ১৭ পয়সা করে বিড়ি কারখানার মালিকরা প্যাকেট প্রতি আয় করেন। ৪০ প্যাকেটে ১ হাজার শলাকার দাম পড়ে ৫৬০ টাকা। অসাধু বিড়ি মালিকরা ১৬০ থেকে ৩২০ টাকা দরে ১ হাজার শলাকা বিড়ি বাজারে তাদের নকল ব্যান্ডরোল দিয়ে বিক্রি করছেন। এতে করে তাদের এক প্যাকেট বিড়ির মূল্য পড়ছে ৪ থেকে ৮ টাকা। এতে সরকারকে রাজস্ব দিয়ে বৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া বিড়ি কারখানার মালিকরা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। ফলে লোকসানে পড়ে তাদের বিড়ি কারখানাগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে।

রাজস্ব ফাঁকি দেয়া বিড়ি মালিকদের সিন্ডিকেট : অনুসন্ধান আর বিড়ি মালিকদের দেয়া তথ্যে জানা যায়, রাজস্ব ফাঁকি দেয়া বিড়ি মালিকরা সিন্ডিকেট করে এ রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। প্রশাসন, কাস্টম্স কর্মকর্তা, পুলিশ সকলেই তাদের কাছে ম্যানেজ। নি¤œ মানের বিড়ি উৎপাদন করে রাজস্ব ফাঁকি দেয়া বিড়ি কারখানার মধ্যে রয়েছে হারাগাছের আশিক বিড়ি, সরিফা বিড়ি, আশা বিড়ি, আজিম বিড়ি, বকুল বিড়ি, রাশেদা আশা বিড়ি, তারেক বিড়ি, হামিদ বিড়ি, রাশেদ বিড়ি, আব্দুল হালিম বিড়ি, মামুন বিড়ি, হক বিড়ি, পাখি বিড়ি, প্রাণ বিড়ি, সুলতান বিড়ি, সাহেব বিড়ি, মানিক বিড়ি, জামাল বিড়ি, শিমুল বিড়ি, বাংলা বিড়ি, সেলিম বিড়ি, নিউ আশা বিড়ি, এনতাজ বিড়ি, সাগর বিড়ি, বাদল বিড়ি, ফেন্সি বিড়ি, মিরাজ বিড়ি, আবুল বিড়ি, দুলাল বিড়ি, গ্রাম বাংলা বিড়ি, রাঙ্গা বিড়ি, বুলেট বিড়ি, তুফান বিড়ি, আপন বিড়ি, ফ্রেস বিড়ি, রতœা বিড়ি, আটো বিড়ি, তৈয়ব বিড়ি, বিউটি বিড়ি, রবি বিড়ি, গাইবান্ধার ঢোল ডাঙ্গার সুন্দর বিড়ি, মোমিন বিড়ি, সুন্দরময় বিড়ি, আনিছ বিড়ি, বাসুদেবপুরের রাদিদ বিড়ি, সাদুল্ল্যাপুরের আনিছার বিড়ি, গাইবান্ধার মধু বিড়ি, শাকিল বিড়ি, ফুটবল বিড়ি, কাজল বিড়ি, বগুড়া সোনাতলার আকিব বিড়ি।

কিভাবে তৈরী হচ্ছে নিম্নমানের বিড়ি : বিড়ি শ্রমিকদের অভিযোগ রয়েছে, নতুন নিবন্ধন পাওয়া ছোট বিড়ি কারখানার মালিকরা কোন রকম নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই নিম্নমানের বিড়ি উৎপাদন করছে। তারা এলাকার বাড়িতে বাড়িতে নারী-পুরুষদের নিম্ন শ্রমমূল্য দিয়ে বিড়ি বানানোর সরঞ্জাম সরবরাহ করে বিড়ি তৈরী করছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মানা হচ্ছে না কোন নিয়ম। ফলে শ্রমিকদের অদূর ভবিষ্যতে জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে। জিম্মি করে হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে দূর্বিসহ জীবনের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

নকল বিড়িতে সয়লাব উত্তরাঞ্চলসহ গোটা দেশ : সরকারকে রাজস্ব দেয়া বড় বিড়ি কারখানার মালিকরা তাদের উৎপাদিত বিড়ি রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সরবরাহ করে। বাজারজাত হয় দেশের বিভিন্ন জেলাও। ওই সমস্ত জেলায় নকল ব্যান্ড রোল ব্যবহার করা ছোট বিড়ি কারখানাগুলো কম মূল্যে নিম্নমানের বিড়ি সরবরাহ করছে। বর্তমানে ছোট বিড়ি কারখানা মালিকাদের বাজারজাত করা বিড়িতে সয়লাব হয়ে গেছে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা।

প্রশাসন নির্বিকার : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অন্যতম রাজস্ব আহরোনের খাত বিড়ি শিল্প। প্রতি বছর সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদান করা হয় এ খাত থেকে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এত বড় রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কিভাবে অসাধু কারখানা মালিকরা তাদের বিড়ি বাজারজাত করছে তা নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসনসহ সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কেন নির্বিকার এর রহস্য কি তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে বিড়ি শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টদের। শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসন, কাস্টমস্ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রভাব খাটিয়ে এ রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের আগেই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মুখ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে প্রশাসনের।

নকল ব্যান্ড রোল ব্যবহার করে বিড়ি বাজারজাতকরণের তথ্যও রয়েছে কাস্টমস্ কর্মকর্তাদের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর কাস্টমস্ হারাগাছ পৌর শহরের হাজীপাড়া এলাকার একটি পরিত্যাক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের বিড়ির নকল ব্যান্ডরোল উদ্ধার করা হয়। ২০১৯ সালের ১২ মার্চ হারাগাছ শেখ সারাই ধুমের পার এলাকার একটি টিন সেড বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৬০ হাজার পিচ বিড়ির নকল ব্যান্ডরোল ও ১১ লাখ ৮ হাজার পিচ সিগারেটের নকল স্ট্যাম্প উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একই এলাকার অন্য একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১ লাখ ৮১ হাজার ২৪০ পিচ বিড়ির নকল ব্যান্ডরোল উদ্ধার করা হয়।

শ্রমিক মোজাফ্ফর রহমান (৪৫) জানান, এ শিল্প থেকে সরকার অনেক রাজস্ব পেত। আগে আমরা সপ্তাহে ৭দিন বিড়ি কারখানায় কাজ করতাম। এখন সপ্তাহে এক থেকে দু’দিন কাজ হয়। প্রত্যেক দিন কাজ হলে সরকার বেশি রাজস্ব পেত। ক্যাসিনোর মত কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসাধু বিড়ি কারখানার মালিকরা। সরকার ক্যাসিনোতে যেভাবে অভিযান চালিয়েছে এখানে সেভাবে অভিযান পরিচালনা করলে সরকার লাভবান হবে।

অপর শ্রমিক আনোয়ারুল (২৮) বলেন, বড় কারখানাগুলো ব্যান্ড রোল তুলে বিড়ি বাজারজাত করে। নতুন লাইসেন্স ধারী বিড়ি মালিকরা ব্যান্ড রোল না তুলে জাল ছাপিয়ে এনে বিড়িতে লাগিয়ে তা বিক্রি করছে। তারা ১৪ টাকার বিড়ি বিক্রি করছে ৫ থেকে ৬ টাকায়। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ এদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হোক।
বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি বলেন, হারাগাছে ক্যাসিনো স্টাইলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নেই। ব্যান্ড রোল ফাঁকি, ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে সব নতুন লাইসেন্স ধারী বিড়ি কারখানার মালিকরা। কোথায় তাদের কারখানা, কোথায় তারা বিড়ি বানায় তা কেউ জানে না। সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এসব ব্যাপারে নজরদারী থাকার কথা ছিলো। সোজা কথায় এই অনিয়মের সাথে কাস্টম্স কর্মকর্তা, পুলিশ, দলীয় লোক জড়িত রয়েছে। প্রশাসনের সর্বস্তরের অসাধু কর্মকর্তারা এই রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার ভাগ পাচ্ছে।

রংপুর জেলা বিড়ি মালিক সমিতির সভাপতি মজিবর রহমান বলেন, অনৈতিকভাবে বিড়ি বাজারজাত করা ছোট বিড়ি কারখানা মালিকরা বছরে প্রায় ৫’শ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। অনেকে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এ ব্যবসা পরিচালনা করছে। দলীয় নেতাদের ছোট ভাইয়ের নামে কিংবা বড় ভাইয়ের নামে বিড়ি কারখানা রয়েছে। তারা দলের সাথে জড়িত থাকার কারণে নানা সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে এবং সিন্ডিকেট তৈরী করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। সরকারকে রাজস্ব দিয়ে আমরা ২০ থেকে ২৫ জন বিড়ি কারখানা মালিক ব্যবসা করে আসছি। অনলাইনে লাইসেন্স দেওয়ার পর থেকে নতুনভাবে হারাগাছে প্রায় ২’শ টি কারাখানা গড়ে উঠেছে। তারা নকল ব্যান্ড রোল ব্যবহার করে বা ব্যান্ড রোল ছাড়া কম দামে বাজারে বিড়ি বিক্রি করছে। এতে করে আমরা ধ্বংসের দাঁড় প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছি। শত শত কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি নিয়ে সমস্যা থেকে প্রতিকার চেয়ে কাস্টমস্ কমিশনারের সাথে দেখা করেছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শুধু আশ্বাসের বানীই শুনেছি। আমাদের অনুরোধ ছিলো যেন নতুনভাবে বিড়ি কারখানা স্থাপনে অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন দেয়া না হয়। শুধু তাই না, আমরা পৌর মেয়রকে ট্রেড লাইসেন্স না দেয়ার জন্য অনুরোধ করেও সুফল পাইনি।

এ ব্যাপারে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল মান্নান সরকার বলেন, নকল ব্যান্ড রোল দিয়ে বিড়ি বাজারজাতকরণের বিষয়টি সত্য। ইতোপূর্বে আমরা অভিযান পরিচালনা করে নকল ব্যান্ডরোল উদ্ধার করেছি। এ ব্যাপারে বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। এনিয়ে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে।
এদিকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মাহিগঞ্জ জোন সূত্রে জানা যায়, নকল ব্যান্ড রোল দিয়ে বিড়ি বাজারজাতকরণের অভিযোগে হারাগাছ থানায় ৮টি ও মাহিগঞ্জ থানায় ১টি মামলা হয়েছে।

রংপুর মেট্রেপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কাজী মুত্তাকি ইবনু মিনান সমকালকে বলেন, নকল ব্যান্ড রোল দিয়ে বিড়ি প্রস্তুত করে বাজারজাতকরণের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় অসাধু ব্যবসায়ী ও ব্যবসার সাথে জড়িতদের কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। এ ব্যবসার সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রাঘব-বোয়ালদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে।

অসাধু বিড়ি মালিকদের রাজস্ব ফাঁকি ফাঁসে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা : অসাধু বিড়ি কারখানা মালিকদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন র‌্যাবের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। হারাগাছের মেনাজ ও পদ্মা বিড়ির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ৬৫ হাজার ১’শ পিস নকল ব্যান্ডরোল ও নগদ ৫৮,৭৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হারাগাছ থানার দালালহাট সাবানটারী এলাকার আবুল মকদুমের ছেলে এএইচএম মাহমুদ হাসান ওরফে ডনকে গ্রেফতার করে। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অভিযানের ব্যাপারে কাস্টম্স কর্মকর্তাদের জানালে তারা প্রায় ৩ ঘন্টা পর বিড়ি কারখানায় উপস্থিত হন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় অংশ নেন, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদী হাসান, র‌্যাব-১৩ কোম্পানী কমান্ডার মোতাহার হোসেন।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদী হাসান বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এখানে অভিযান পরিচালনা করে মেনাজ ও পদ্মা বিড়ি কারখানায় দুই দফায় বিপুল পরিমান নকল ব্যান্ড রোল উদ্ধার করি। এ ঘটনায় বিড়ি কারখানা মালিকের নামে মামলা হয়েছে।

সূত্র: যুগের আলো।

Leave a Reply