
নিউজ ডেস্ক:
রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শ্যামাসুন্দরী খাল দখলকারী ১৭০ জনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
১৮৯০ সালে রাজা জানকি বল্লভের সময় খনন করা এই খাল দখলমুক্ত ও দুষণমুক্তকরণসহ নগরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।
রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনী ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সমন্বয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর নগরীর চেকপোস্ট থেকে এ অভিযান শুরু হয়।
সরকার এ ঐতিহ্যবাহী খালের সংস্কার ও পুনঃখননের জন্য জন্য ১০০ কোটি টাকা বাজেট দিয়েছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, রংপুর চেকপোস্ট থেকে মাহিগঞ্জ পাঠবাড়ি এলাকায় পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার খালের দুই পাশে জরিপ করে ১৭০ জন অবৈধ দখলদারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। উচ্ছেদ শুরুর আগে তাদের চিঠি দিয়ে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু দখলদাররা কর্ণপাত না করায় এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে শ্যামাসুন্দরীর খালের অবয়ব সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে।
মেয়র বলেন, রংপুর নগরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও আগামী প্রজন্মকে সুন্দর নগরী উপহার দিতে হলে আগে শ্যামাসুন্দরী খালকে বাঁচাতে হবে। এ খাল সচল হলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় গতি আসবে।
ডিসি আসিব আহসান বলেন, খালের উৎস মুখ থেকে মাহিগঞ্জ পাটবাড়ি পর্যন্ত খালের দুই পাশ সংস্কার করা হবে। এর জন্য রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় হাল জরিপ করা হয়েছে। ১৭০ জনকে অবৈধ দখলদার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
উচ্ছেদ অভিযানের সময় ডিসি (রাজস্ব) শরীফ মোহাম্মদ ফয়েজুল আলম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, রসিকের নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মিঞা, ভূমি কমিশনার ছন্দা পালসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সিটি কাউন্সিলররা।
সূত্র: ডেইলী বাংলাদেশ।