
স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের মিঠাপুকুরে শত বছরের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে পাকা ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে গোলাম মোস্তফা নামে এক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। তার দাপটে অসহায়ত্বের শিকার ৪ পরিবারের ৩০ জন সদস্যর বাড়ি থেকে বের হওয়ার ভরসা এখন অন্যের চাষাবাদীয় জমির আইল ও বাড়ির অলিগলি।
ঘটনাটি ঘটেছে লতিবপুর ইউনিয়নের পাইকান কৃষ্ণপুর গ্রামে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
আরো পড়ুন: মিঠাপুকুরে শসা খাওয়ানোর প্রলোভনে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবক গ্রেফতার
অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৭নং লতিবপুর ইউনিয়নের পাইকান কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত. আঃ ছালাম এর পরিবারসহ কয়েকটি পরিবারের লোকজন শতবছরের বেশি সময় ধরে চলাচলের রাস্তা হিসাবে ব্যবহার করে আসছিল। এতে সুবিধা ভোগ করেছিলেন প্রতিবেশীরাও।
এদিকে হঠাৎ ঐ রাস্তা বন্ধের জন্য উঠে পড়ে লাগে একই গ্রামের মৃত নছর উদ্দিনের ছেলে লতিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ গোলাম মোস্তফা। চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে অবশেষে পাকাঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঐ গ্রাম পুলিশ সদস্য। এতে স্থানীয়রা বোঝাতে চেষ্টা করে এবং রাস্তা বন্ধ না করার অনুরোধ করেন। কিন্তু, এতে কোন কর্ণপাত না করে উল্টো কামরুজ্জামানের উপরসহ পরিবারের লোকজনকে মারমূখী আচরণ করাসহ হুমকি ধামকী দেয় গোলাম মোস্তফা।
আরো পড়ুন: মিঠাপুকুরে মেম্বারদের বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন
এক পর্যায়ে পুরোপুরি চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে পাকা ঘর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ করেন। উপায় না পেয়ে গ্রাম পুলিশ গোলাম মোস্তফার দাপটে অসহায়ত্বের শিকার ৪ পরিবারের ৩০ জন সদস্যর বাড়ি থেকে বের হওয়ার ভরসা এখন অন্যের চাষাবাদীয় জমির আইল ও বাড়ির অলিগলি দিয়ে। যা কয়েকটি পরিবারের লোকজনের জন্য চরম ভোগান্তি।
আরো পড়ুন: মিঠাপুকুরে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিল
এদিকে ঐ গ্রাম পুলিশের হাত থেকে রেহাই পাবার জন্য মিঠাপুকুর থানা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে মৃত. আঃ ছালামের ছেলে কামরুজ্জামান মিলন।
এম২৪নিউজ/আখতার